1. admin@dailyaparadhershironam.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুমিল্লা জেলা পুলিশের সাফল্য— সারাদেশে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযান, মাদকসহ গ্রেপ্তার ৬ অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করুন, অন্যথায় ৬ দফা আন্দোলন ১ দফায় পরিণত হবে কুমিল্লায় উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আ.লীগ নেতা সাজ্জাদ গ্রেফতার মাসোহারা বাণিজ্যে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ, অনুসন্ধানে উঠে এলো বিস্ফোরক তথ্য বুড়িচংয়ে সালেহ আহম্মেদের হস্তক্ষেপে মাদকসহ আটক ব্যক্তি ছাড়া, ভিন্ন ব্যক্তিকে পলাতক দেখিয়ে আসামি ক্ষেতলালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে কুমিল্লা সদর সার্কেলের বিরুদ্ধে বিস্তার অভিযোগ: সাংবাদিককে ‘ম্যানেজ’ করতে এসআই সুমনের ঘুষের খাম! কুমিল্লা সদর দক্ষিণে নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যৌথবাহিনীর টহল ইন্সপেক্টর শূন্য কুমিল্লার চকবাজার ফাঁড়ি: সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে চাঁদাবাজির রমরমা বাণিজ্য!

রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্ত থেকে উদ্ধার—বাঁচানো গেল না সাজিদকে

রাজশাহী প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৩১ বার পঠিত

রাজশাহীর তানোরে নলকূপের পরিত্যক্ত গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদ আর বেঁচে নেই। বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
‎
‎উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বার্নাবাস হাসদাক জানান, রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে সাজিদকে হাসপাতালে আনা হয়। পরীক্ষায় দেখা যায়—শিশুটি হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা গেছে।
‎
‎এর কিছুক্ষণ আগে রাত ৯টার দিকে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন) লে. কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে শিশুটিকে গর্ত থেকে উদ্ধার করা হয়।
‎
‎বুধবার দুপুরে উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট গ্রামে গভীর নলকূপের পরিত্যক্ত গর্তে পড়ে যায় সাজিদ। তার মা ও ভাইয়ের সঙ্গে বাড়ির পাশের একটি জমি পার হওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে। জমিটি খড় দিয়ে ঢাকা ছিল। সাজিদের মা জানতেন না খড়ের নিচে রয়েছে খোলা অবস্থায় রাখা বিপজ্জনক গর্ত। হাঁটার একপর্যায়ে হঠাৎ করে সাজিদ নিচে পড়ে যায়। পেছন থেকে ‘মা মা’ ডাক শুনে তিনি ফিরে দেখেন শিশুটি নেই। খড় সরাতেই বেরিয়ে আসে ওই মৃত্যুকূপ।
‎
‎স্থানীয়দের অভিযোগ, গত বছর এক ব্যক্তি সেখানে গভীর নলকূপ স্থাপনের চেষ্টা করেন। পানি না পাওয়ায় পাইপটি পরিত্যক্ত অবস্থায় মুখ খোলা রেখেই ছেড়ে দেওয়া হয়। পরের বছরের বৃষ্টিতে গর্তটি আরও প্রশস্ত হয়ে পড়ে। কোনো ঢাকনা বা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা না থাকায় ঘটে যায় এ দুর্ঘটনা।
‎
‎ঘটনার পর হাজারো মানুষ ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। গর্তের পাশে সারারাত কাটান শিশুটির মা। প্রথমদিকে ভেতর থেকে কিছু শব্দ শোনা গেলেও সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বন্ধ হয়ে যায়, যা উদ্ধারকারীদেরও উদ্বিগ্ন করে তোলে। গর্তের ভেতরে অক্সিজেন সরবরাহ জারি রাখে ফায়ার সার্ভিস। মেডিকেল টিম ও প্রশাসনও ঘটনাস্থলে অবস্থান করে।
‎
‎এর আগে সন্ধ্যায় লে. কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানিয়েছিলেন, শিশুটির জীবিত থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে যেকোনো অবস্থায় তাকে উদ্ধার না করা পর্যন্ত অভিযান থামানো হবে না।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর